Course Content
উপন্যাসের সূচনা ও ক্ষিতীশ-কোনি সাক্ষাৎ (Part 1)
মতি নন্দীর 'কোনি' উপন্যাসের প্রারম্ভিক প্রেক্ষাপট, গঙ্গার ঘাটের দৃশ্য এবং বারুণীর উৎসবে ক্ষিতীশ সিংহের জহুরির চোখে কোনিকে চিনে নেওয়ার ঘটনা এই অংশে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
0/2
কোনি: ক্ষিতীশের রত্ন আবিষ্কার ও কঠোর জীবনসংগ্রাম (Part 2)
এই অংশে ক্ষিতীশ সিংহের ব্যক্তিগত জীবন, তাঁর কৃচ্ছ্রসাধন এবং আদর্শবাদী গুরুর পরিচয় ফুটে উঠেছে। ক্ষিতীশের স্ত্রী লীলাবতীর ব্যবসায়িক দূরদর্শিতায় কীভাবে লোকসানে চলা ‘সিনহা টেলারিং’ সফল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হলো এবং ক্ষিতীশের শোবার ঘরের ছবিগুলোর মধ্য দিয়ে তাঁর জীবনের লক্ষ্যের ইঙ্গিত এখানে নিপুণভাবে বর্ণিত হয়েছে।
0/2
কোনি: জুপিটারের রাজনীতি ও ক্ষিতীশের পদত্যাগ (Part 3)
জুপিটার সুইমিং ক্লাবের ভেতরে চলা নোংরা রাজনীতি এবং ক্ষিতীশ সিংহকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র নিয়ে এই পরিচ্ছেদটি আবর্তিত হয়েছে। হরিচরণ মিত্তিরের অলিম্পিক অভিজ্ঞতার আড়ালে মিথ্যাচার এবং ক্ষিতীশের বিরুদ্ধে আনা ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদে তাঁর দীর্ঘ ৩৫ বছরের প্রিয় ক্লাব থেকে পদত্যাগের এক নাটকীয় ও আবেগঘন মুহূর্ত এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
0/2
[Class 10 Bengali] কোনি: ২০ ঘণ্টার হাঁটা ও ক্ষিতীশের রত্ন আবিষ্কার (Part 4)
মতি নন্দীর 'কোনি' উপন্যাসের চতুর্থ পরিচ্ছেদে ২০ ঘণ্টার অবিরাম হাঁটা প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে ক্ষিতীশ সিংহের জহুরি চোখে কোনিকে চিনে নেওয়ার ঘটনাটি বর্ণিত হয়েছে। বৈশাখের তপ্ত রোদ ও ক্লান্তিকে জয় করে কোনির অদম্য জেদ এবং মাথা উঁচু করে এগিয়ে চলার ভঙ্গি ক্ষিতীশকে এক অনাগত চ্যাম্পিয়নের স্বপ্ন দেখায়। এই অংশে ক্ষিতীশ ও কোনির ঐতিহাসিক প্রথম দেখা এবং বিষ্টু ধরের রাজনৈতিক কার্যকলাপের এক বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
0/2
কোনি: জুপিটারের চক্রান্ত ও অ্যাপোলোয় ক্ষিতীশের নতুন শুরু (Part 6)
জুপিটার ক্লাবে কোনির ট্রায়াল এবং রাজনীতির কারণে তাকে ভর্তি না করার চক্রান্ত। অপমানের শোধ নিতে এবং কোনিকে চ্যাম্পিয়ন করতে ক্ষিতীশের আজীবনের শত্রু ক্লাব অ্যাপোলোয় যোগ দেওয়ার সেই ঐতিহাসিক ও আবেগপ্রবণ মুহূর্ত।
0/2
কোনি (Part 1-6): সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর ও নোটস

সারসংক্ষেপ (Summary):

চৈত্র মাসের ‘বারুণী’ তিথিতে গঙ্গার ঘাটে পুণ্যার্থীদের ভিড়। গঙ্গায় ভাসমান কাঁচা আম সংগ্রহের জন্য একদল ছেলের হুড়োহুড়ি আর ঘাটে বিষ্টু ধরের (বিষ্ণুচরণ ধর) শরীর মালিশের দৃশ্যের মধ্য দিয়ে কাহিনীর সূচনা। সেখানেই আমাদের পরিচয় হয় উপন্যাসের মূল কারিগর ক্ষিতীশ সিংহের সাথে। ক্ষিতীশ তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধি এবং শ্লেষাত্মক মন্তব্যের মাধ্যমে সাড়ে তিন মণী দেহের অধিকারী বিষ্টু ধরকে তাঁর শারীরিক স্থূলতা এবং মানসিক ইচ্ছাশক্তির অভাব সম্পর্কে সচেতন করেন।

মূল বক্তব্য (Key Points):

  • বারুণীর দৃশ্য: গঙ্গার ঘাটে আম কুড়ানো এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের একটি বাস্তব চিত্র।

  • ক্ষিতীশের দর্শন: শরীরকে ‘চাকর’ বানানোর তত্ত্ব এবং পেশিশক্তির চেয়েও ‘ইচ্ছাশক্তি’ বা মনের জোরের শ্রেষ্ঠত্ব।

  • বৈপরীত্য: বিষ্টু ধরের বিলাসিতা ও স্থূলতা বনাম ক্ষিতীশের কৃচ্ছ্রসাধন ও শৃঙ্খলাপরায়ণ জীবন।

  • কোনি’র সংকেত: পরিচ্ছেদের শেষ দিকে ‘কো…নি…’ চিৎকারের মাধ্যমে ভবিষ্যতের মূল চরিত্রের আগমনের ইঙ্গিত।

0% Complete