সারসংক্ষেপ (Summary):
চৈত্র মাসের ‘বারুণী’ তিথিতে গঙ্গার ঘাটে পুণ্যার্থীদের ভিড়। গঙ্গায় ভাসমান কাঁচা আম সংগ্রহের জন্য একদল ছেলের হুড়োহুড়ি আর ঘাটে বিষ্টু ধরের (বিষ্ণুচরণ ধর) শরীর মালিশের দৃশ্যের মধ্য দিয়ে কাহিনীর সূচনা। সেখানেই আমাদের পরিচয় হয় উপন্যাসের মূল কারিগর ক্ষিতীশ সিংহের সাথে। ক্ষিতীশ তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধি এবং শ্লেষাত্মক মন্তব্যের মাধ্যমে সাড়ে তিন মণী দেহের অধিকারী বিষ্টু ধরকে তাঁর শারীরিক স্থূলতা এবং মানসিক ইচ্ছাশক্তির অভাব সম্পর্কে সচেতন করেন।
মূল বক্তব্য (Key Points):
-
বারুণীর দৃশ্য: গঙ্গার ঘাটে আম কুড়ানো এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের একটি বাস্তব চিত্র।
-
ক্ষিতীশের দর্শন: শরীরকে ‘চাকর’ বানানোর তত্ত্ব এবং পেশিশক্তির চেয়েও ‘ইচ্ছাশক্তি’ বা মনের জোরের শ্রেষ্ঠত্ব।
-
বৈপরীত্য: বিষ্টু ধরের বিলাসিতা ও স্থূলতা বনাম ক্ষিতীশের কৃচ্ছ্রসাধন ও শৃঙ্খলাপরায়ণ জীবন।
-
কোনি’র সংকেত: পরিচ্ছেদের শেষ দিকে ‘কো…নি…’ চিৎকারের মাধ্যমে ভবিষ্যতের মূল চরিত্রের আগমনের ইঙ্গিত।